সময়ের অসহায় দাস


সাম্য রাইয়ান

এখন মাতাল হবার সময়!
সময়ের
অসহায় দাস হওয়ার চেয়ে মাতাল হও,
একটুও না থেমে অবিরল!
মদ, কবিতা অথবা উৎকর্ষ
যেটা তোমার পছন্দের।
------বোদলেয়ার

সময়ের অসহায় দাস হওয়ার চেয়ে মাতাল হওয়াকেই অনেক বেশি শ্রেয় মনে করে করেছেন কবি বোদলেয়ার। কেননা তিনি জানতেন, কেবলমাত্র মাতালই বলতে পারে- এখন ভাঙচুরের সময়! কিন্তু সময়ের অসহায় দাস, সে কেবল বিকলাঙ্গচিন্তিত জীবন যাপন করে। কিন্তু ল্যনীয় বিষয়, পতিতারাই প্রসিদ্ধ এখন।

প্রতিটি মানুষ জন্মগতভাবেই রাজনৈতিক জীব; এটা নতুন করে প্রমাণের কিছু নেই। কিন্তু আজও অনেক প্রতিক্রিয়াশীল ব্যক্তি বা সংগঠন নিজেকে ‘অরাজনৈতিক’ বলে প্রচার-প্রপাগান্ডা চালিয়ে নিজের চর্চিত হাজার বছরের পুরনো-বস্তাপঁচা মাল জনগনের সামনে হাজির করছে গর্বের সাথে, সুচতুরভাবে; নিজের অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য। নতুন পদ্ধতিতে-নতুন-মোড়কে। কিন্তু বোল আলাদা হলেও মাল এক-; হাজার বছরের বস্তপিঁচা।

অথচ এদেরই দম্ভোক্তি সর্বোত্র, দাপুটে বিচরণ প্রসারিত হচ্ছে ক্রমাগত। মনে রাখতে হবে, এই দাপুটে অবস্থা কিন্তু তাদের- যারা এইসব প্রতিষ্ঠানের মালিক/পরিচালক। আর স্বোচ্ছাসেবি(!)/কর্মীরা সময়ের অসহায় দাসমাত্র। এই দাসেদের না আছে জ্ঞানগরিমা, না আছে আত্নমর্যাদা। মালিকেরা যেভাবে পরিচালনা করে, সামান্য কিছু লাভের আশায়- লোভে পড়ে- এরা সেই পথেই চলে; ভালো-মন্দ বিচারের যোগ্যতা এদের নেই, তা নষ্ট করে দেয়া হয়েছে অনেক আগেই। এরা জানেই না- এরা দাস! আর তাই এদের মধ্যে মুক্তির আকাঙ্খার প্রশ্নই ওঠে না।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন